সংবাদ ব্রিফিং

ট্যুরিজম

    • স্বর্ণমন্দির পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো - প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং। এই জাদিটি এখন শুধুমাত্র বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের তীর্থস্থানই নয় বরং দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্পট। এটি স্বর্ণমন্দির নামে জনপ্রিয় হলেও স্বর্ণ নির্মিত নয়। মেরুন আর সোনালী রঙে সজ্জিত মন্দিরটি দূর থেকে দেখলে স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো মনে হয় আর এই বাহ্যিক রূপের কারণেই মন্দিরটি ‘স্বর্ণ মন্দির’ নামে খ্যাতি পেয়েছে। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত মন্দিরটি বালাঘাট থেকে ৪ কিমি এবং বান্দরবান সদর থেকে ১০ কিমি দূরে অবস্থিত।বান্দরবানে বসবাসরত মারমা জাতিগোষ্ঠী হীনযান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সর্বাপেক্ষা বড় মন্দির এটি এবং এখানেই আছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বুদ্ধ মূর্তি। ২০০৪ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে মিয়ানমারের স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে পবিত্র এই তীর্থস্থানটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। মন্দিরের বাইরের অংশে বিভিন্ন প্রকোষ্ঠের নকশা তিব্বত, চীন, নেপাল, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভূটান,মায়ানমার, কোরিয়া, জাপান ইত্যাদি দেশের স্থাপত্যশৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত। এই পাহাড়ে একটি লেক আছে যা দেবতা পুকুর নামে পরিচিত। দেবতা পুকুরটি সাড়ে ৩’শ ফুট উচুতে হলেও সব মৌসুমেই পানি থাকে। বৌদ্ধ ভান্তেদের মতে, এটা দেবতার পুকুর বলেই এখানে সব সময় পানি থাকে। মন্দির থেকে দেখবেন পূর্বদিকে বান্দরবান শহর ও চারপাশে শুধু পাহাড় আর পাহাড়। পার্বত্য জেলার এই অন্যতম দর্শনীয় স্থানটিতে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ থেকে পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল কর্তৃপক্ষ। শুধুমাত্র পূজার উদ্দেশ্যে অনুমতি নিয়ে [...]
    • odmorr সপরিবারে বেড়াতে যাচ্ছেন ? - শীত মানেই বাচ্চাদের স্কুল, কলেজ ছুটি। আর যেহেতু আমাদের দেশে বেশিরভাগ সময়টা গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষাকাল থাকে, তাই শীতকাল এলেই দূরে কোথাও বেড়াতে যাবার ধুম পড়ে যায়। প্রায় প্রত্যেক দম্পতিই চেষ্টা করেন বাচ্চাদের নিয়ে একটু ঘুরে আসতে। অন্য কোথাও না হোক, নিদেন পক্ষে গ্রামের বাড়িতে তো যাওয়াই হয়। তবে ভুলে গেলে চলবে না যে দিনকাল খারাপ, তাই একটু বাড়তি সতর্কতা সবারই প্রয়োজন। অন্যদিকে অনেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাবে সবকিছু এলোমেলো করে ফেলেন। ফলে এটা-ওটা ঝামেলা হতেই থাকে আর ঝামেলায় কেটে যায় ছুটির দিনগুলো। আজ রইলো আপনার জন্য একটি প্রয়োজনীয় ফিচার। এক নজরে জেনে নিন সপরিবারে বেড়াতে যাওয়ার নানান দিক সম্পর্কে। ১) পরিবার নিয়ে কোথাও বেড়াতে গেলে অবশ্যই আগে থেকে ঠিক করুন কোথায় থাকবেন। যে হোটেলে বা রেস্ট হাউজে থাকবেন, সেখানে অবশ্যই বুকিং দিয়ে রাখবেন অগ্রিম। এবং যাওয়ার আগে সেই বুকিং কনফার্ম করতে ভুলবেন না একেবারেই। গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হলেও বেশ কিছুদিন আগে থেকেই জানিয়ে দিন যে আপনারা আসছেন। ফলে তাঁদের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে। ২) যে তারিখে যেতে চান, সেটার টিকিট অগ্রিম করিয়ে ফেলুন। হোটেলের বুকিং ও টিকিটের তারিকের মাঝেজেন কোন গড়মিল না হয়, এই বিষয়টি খেয়াল রাখুন। যেহেতু পরিবারে নানান বয়সী মানুষ থাকে বেওং নারী ও শিশুরাও থাকে, তাই তাঁদের নিরাপত্তার জন্য হোটেলের বুকিং ও অগ্রিম টিকিট খুবই জরুরী। ৩) বেড়াতে [...]
    • bbtt ঝিনাইদহের ‘এশিয়ার বৃহত্তম’ বটগাছ কি রূপ ফিরে পাবে ? - ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ-কালীগঞ্জ উপজেলার মল্লিকপুরের আকার সংকুচিত হয়ে পড়া এই গাছটির দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছে বন মন্ত্রণালয়। ঝিনাইদহের তথ্যবাতায়নে এশিয়ার বৃহত্তম বলে দাবি করা এই গাছের উন্নয়নে সরকার ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে।যশোর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জহুরুল আলম বলেন, “জীববৈচিত্র রক্ষা প্রকল্পের আওতায় মল্লিকপুরের বৃহত্তম এ বটগাছের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে বন মন্ত্রণালয়।এজন্য পাশের জমি হুকুম দখল করে আয়তন বাড়িয়ে ৩ একরের বেশি করা হয়েছে।”তার আশা গাছটি আবার আগের অবয়বে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।মল্লিকপুর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ বট গাছটির বয়স কত তা আশেপাশের গ্রামের লোকজন বলতে পারে না। তিনি মুরব্বীদের কাছে শুনেছেন ৩শ’ বছরের বেশি হবে।যে স্থানে মূল বট গাছের শুরু ওই স্থানের আশেপাশে কুমার সম্প্রদায়ে বাস ছিল। সেনদের জায়গায় একটি পাতকুয়া ছিল। কোন পাখি হয়তো কুয়ার উপর বটের বীজ এনে ফেলে। সে বীজ থেকে চারা গজায়। জায়গাটি ছিল জঙ্গলাকীর্ণ। আস্তে আস্তে বেড়ে উঠে বিস্তৃর্ণ জায়গা জুড়ে ফেলে গাছটি। বাড়তে বাড়তে এক সময় প্রায় দুই একর জায়গা দখল করে নেয় সেটি। পরিচিতি পায় এশিয়ার সর্ব বৃহৎ বটগাছ হিসাবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ গাছের গোড়াতে পুজা অর্চনা শুরু করে।লোকসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বটগাছ এলাকায় নির্জনতা থাকে না। গাছের বৃদ্ধি ঘটে প্রোপরুট বা বোয়ার উপর ভর করে। লোকে অত্যাচার শুরু করে। গাছ থেকে নেমে আসা ঝুরি ও বোয়া কেটে ফেলতে থাকে।আব্দুর [...]
    • badd সুন্দরগঞ্জে গোয়ালের ঘাট বধ্যভূমির বেহাল দশা - গাইবান্ধা প্রতিনিধি: ১৯৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনী, আলবদর, আলশামস, রাজাকারদের হাতে নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞের একমাত্র কালের স্বাক্ষী গোয়ালের ঘাট বধ্যভূমি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪২ বছর অতিবাহিত হলেও সংস্কার ও মেরামত করা হয়নি এই বধ্যভূমি। অযতœ, অবহেলায় দিন দিন বধ্যভূমিটি নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। একদিকে তিস্তার কড়াল গ্রাসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বধ্যভূমির একাংশ। অপরদিকে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি না থাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় ঢেকে যাচ্ছে দৃশ্যপট। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গোটা সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পাশাপাশি কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনী নিরীহ মা-বোনদের ধরে নিয়ে এসে সম্ভ্রমহানি করে নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে লাশ ফেলে রাখে ওই গোয়ালের ঘাট বধ্যভূমিতে। লাশের স্তুপে পরিণত হয়েছিল বধ্যভূমি এলাকা।উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ড বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমদাদুল হক বাবলু বলেন, আমি দেখেছি, গোয়ালের ঘাটের বিভিষীকাময় লোমহর্ষক দৃশ্য। হাজার হাজার মা-বোনসহ সাধারণ মানুষজনের মাথার খুলি, হাড়-হাড্ডি স্তূপাকারে পড়েছিল গোয়ালের ঘাটে। আমি নিজেও বধ্যভূমির আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাড়-হাড্ডি এবং মাথার খুলি নিয়ে এসে রেখেছি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় স্বাধীনতার ৪২ বছর অতিবাহিত হলেও বধ্যভূমিটি আজও সংস্কার ও মেরামত হয়নি। স্বাধীনতার স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে যারা প্রাণ দিয়ে গেছেন তাদের স্মৃতি যুগ যুগ ধরে রাখার স্বার্থে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বধ্যভূমিটি অত্যন্ত মানসম্মতভাবে মেরামত ও সংস্কার করা একান্ত প্রয়োজন।উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা আহমেদ জানান, সুন্দরগঞ্জে গোয়ালের [...]
    • World Tourism Day Photo আইইউবিএটিতে উৎযাপিত হল বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৪ - গড়াই২৪ ডটকম; মেহেদী হাসানঃ  ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) এর কলেজ অব ট্যূরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (সিটিএইচএম) ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০১৪ রোজ শনিবার বিশ্ব পর্যটন দিবস উৎযাপন করে। জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এই উৎযাপনের প্রতিপাদ্য ছিল টুরিজম এন্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট। উৎযাপনকালে বিশ্বের সকল দেশের বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশের সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটন শিল্পের অবদানকে তুলে ধরা হয়। একটি আনন্দময় শোভাযাত্রার মাধ্যমে সকাল নয় (৯::00) ঘটিকায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র পরিচালনা করে স্থানীয় একটি ব্যান্ড দল। অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান, প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, আই্ইউবিএটি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। সভাপতির ভাষনে ড. মিয়ান বিশ্ব পর্যটন দিবস এর গুরুত্ব এবং বাংলাদেশে এর উন্নয়নে আইইউবিএটি’র অবদান তুলে ধরে বলেন যে এই দেশে আইইউবিএটি’ই প্রথম ট্যূরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এর উপর স্নাতক ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালু করে যার গ্র্যাজুয়েটরা ট্যূরিজম সেক্টর তথা দেশের উন্নয়নে নিয়োজিত আছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ক্রিসটোপ ভয়েজেলি, রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল, ঢাকা, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আলী টিংকু, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, প্লাটিনাম চেইন বুটিক হোটেল, ঢাকা ও মিস লিনা আবদুল্লাহ, জেনারেল ম্যানেজার হোটেলে আমারি। তাঁরা দেশের সার্বিক উন্নয়নে ট্যূরিজম খাতের গুরুত্ব এবং তাদের হোটেলগুলোর অবদান তুলে ধরেন। [...]
    • sea দুটি সমুদ্রের অনন্য সাধারণ মিলন সম্পর্ক - দারুণ রহস্যময় এই পৃথিবীতে কত কিছুই তো আমাদের অজানা, অচেনা। তবে প্রকৃতির এই রহস্যগুলো আছে বলেই আসলে জ্ঞানচর্চা বিকাশ ঘটেছে। অজানাকে জানার প্রচেষ্টা থেকেই আজকের এই মানব সভ্যতার বিকাশ। আসুন, আজ জানি আলাস্কার সেই দুই রঙা দুটি সমুদ্রের অনন্য সাধারণ মিলন সম্পর্কে। দুটি ভিন্ন রঙের পানি এই মিলনকে দিয়েছে রহস্যময়তা। নদী এবং সাগরের এ বৈশিষ্ট্য সবারই কমবেশি জানা। কিন্তু এদিক দিয়ে আলাস্কা উপসাগর আমাদের পূর্ব ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। আলাস্কা উপসাগরের ভেতর দিয়ে বয়ে চলেছে দুই ধরনের পানির স্রোতরেখা। এক স্রোতরেখার পানির সঙ্গে আরেক পানি মেশে না। প্রশান্ত মহাসাগরের শাখা হচ্ছে আলাস্কা উপসাগর। এটি বয়ে গেছে আলাস্কার দক্ষিণ উপকূল ধরে। আলাস্কা পেনিনসুলা থেকে কোডিয়াক দ্বীপ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। উপসাগরটির পূর্বে রয়েছে আলেক্সাজান্ডার আর্কিপেলাগো, যেখানে মিশেছে গ্লেসার নদী এবং তার অভ্যন্তরের স্রোতরেখা। উপসাগরটির তটরেখা প্রকৃতি যেন সাজিয়ে রেখেছে বন, উপত্যকা এবং হিমবাহের কঠিন সমন্বয়ে। আলাস্কা উপসাগরের সবচেয়ে বড় দুটি হিমবাহ হল দি মালাসপিনা হিমবাহ এবং বেরলিং হিমবাহ। দুটি হিমবাহ আলাদাভাবে পাশাপাশি বয়ে যাচ্ছে আলাস্কার ভেতর দিয়ে। একটি হিমবাহের সঙ্গে আরেকটি হিমবাহের কোনো সংযুক্তি নেই। দুটির পানি একত্রে মিশ্রিত হচ্ছে না। গভীর পানিতে অনেক ধরনের প্রবাল পাওয়া যায় এ উপসাগরে। প্রিমনোয়া প্যাসিফিকা নামের এক ধরনের প্রবালের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। গভীর পানির এ প্রবাল পাওয়া যায় সমুদ্রগর্ভের ৪৯০ ফুট থেকে ৩০০০ ফুট [...]
    • Jhau ঝাঁউবন - আমার ব্যর্থতার সাগরে উপকূলে এক আশার ঝাঁউবন, সব ভুলে গেছি তোমায় পেয়ে পর্যটকের মত উদ্দীপ্ত মন। ভাগ্যকে কড়া নজরানা দিয়ে পেয়েছি জীবনে নতুন গতি, ঢেউ হয়ে ফিরে আসি উপকূলে টান ঝাঁউবনের প্রতি । — মুজাহিদ মসি লেখক ও সাংবাদিক
    • 222222 ঐতিহ্যের সাক্ষী ভোলার ঐতিহ্য জমিদার বোরহানউদ্দিন চৌধুরী বাড়ি - গড়াই২৪ ডটকম : দ্বীপজেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ দেউলা-সাচরা ইউনিয়ন। এলাকার প্রবেশ পথে পাঁকা রাস্তার পাশে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে দৃষ্টি নন্দন বেশ কিছু স্থাপনা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম এসব স্থাপনাগুলো তৈরী করেছিলেন তৎকালীন জমিদার বোরহানউদ্দিন চৌধুরী। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিরা জানান, বোরহানউদ্দিন চৌধুরী বাড়ীর অনেক ঐতিহ্যই এখন বিলীন হয়ে গেছে। তবে এখনও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে বোরহানউদ্দিন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত বসত বাড়ি এবং দৃষ্টি নন্দন মসজিদ সহ বিভিন্ন স্থাপনা। প্রায় দেড়শ বছর আগে নির্মিত এসব স্থাপনা আজো স্বমহিমায় টিকে আছে। বাড়িটির ভেতরে প্রবেশ করলেই প্রতিটি পরতে পরতে দেখতে পাওয়া যায় জমিদারী আর ঐতিহ্যের ছোয়া। বোরহানউদ্দিন চৌধুরী বাড়ির দরজায় স্থাপিত মসজিদটিও বেশ দৃষ্টি নন্দন। দিল্লী থেকে আনা স্বেতপাথর আর বেলজিয়ামের লোহা দিয়ে নিখুঁতভাবে তৈরী এই জমিদার বাড়ির স্থাপনাগুলো এখনো দৃষ্টিকাড়ে নতুন প্রজম্মের। বোরহানউদ্দিন চৌধুরী বাড়ির দরজায় মুসাফিরদের জন্য ছিল তিনটি কাচারি ঘর। দুর-দুরান্ত থেকে আগত মুসাফিরদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল এখানে, কিন্তু এখন আর সেসব ঐতিহ্য নেই। মসজিদ ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য কয়েকশ একর জমি রেখেছিলেন বোরহানউদ্দিন চৌধুরী। কিন্তু সেসব জমির অধিকাংশই বেহাত হয়ে গেছে। বর্তমানে মসজিদের নামে ৮৪ একর জমি থাকলেও তার অধিকাংশই ব্যক্তি মালিকানায় ভোগ দখল চলছে। বোরহানউদ্দিন চৌধুরীর প্রো-পৌত্র আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট শহীদুল হক নকীব চৌধুরী জানান, ২১ বৈশাখ ১৪২১ বঙ্গাব্দ, বোরহানউদ্দিন চৌধুরীর ১০২তম মৃত্যুবার্ষিকী। সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে [...]
    • 1 ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ বাংলাদেশ কালাচারাল এসোসিয়েশনের বৈশাখ আনন্দ - গড়াই২৪ ডটকম : গত রবিবার ফ্রান্সের বাংলাদেশী অধ্যুষিত ৩য় বৃহত্তম শহর স্ট্রাসবুর্গ  বাংলাদেশ কালাচারাল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে স্ট্রার্সবুর্গের এক হলে প্রবাসীদের এক মিলনমেলায় রুপান্তর হয়।অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিনিধি আমিনুর রহমান,প্রধান বক্তা হিসাবে আলোচনা করেন তুলুজ বাংলাদেশী এসোসিয়েশন এর সভাপতি ফকরুল আকম সেলিম,স্ট্রাসবুর্গ কালাচারাল এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক হাবীবুল্লাহ খান স্বাধীন,ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশন এর সভাপতি গোপ্তা সহ অনেকে। অনুষ্টান এর সভাপতিত্ব করেন স্ট্রাসবুর্গ বাংলাদেশ কালাচারাল এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেইন ভূইয়া (জাঁনু)।ও অনুষ্টান পরিচালনা করেন সহ সভাপতি চাক সৌরভ পিন্টু।প্যারিসের জনপ্রিয় শিল্পী শিউলি,দীপক,ভিকি,প্রগ্গা ও স্হানীয় শিল্পীদের মনমাতানো গানে সাংস্কৃতীক সন্ধা ছিল দর্শক মুখর।নানা রকমের পিঠা আর দেশীয় পন্যের স্টল ছিল বিশেষ লক্ষনীয়।অনুষ্টানে সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি জাকির হোসেইন ভূইয়া (জাঁনু)একে একে সংগঠনের নবনির্বাচিত সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।সংগঠনের সদস্যরা যথাক্রমে সভাপতি-  জাকির হোসেন ভূঁইয়া জানু,সাধারণ সম্পাধক- হাবিবুল্লাহ খান(স্বাধীন),কোষাধ্যক্ষ- জে এম নাজমুল হক(জামিল)।সহ-সভাপতি ত্রিপুরা সুজয়(নাসির),সহ-সভাপতি-চাক সৌরভ (পিন্টো) সাংগঠনিক সম্পাদক-এমাম হোসেন খান(রিমেল)প্রচার সম্পাদক-আব্দুর রহমান(ফিরোজ),দপ্তর সম্পাদক-মাহবুবুর রহমান (টিপু),ধর্ম বিষয়ক সম্পাধক রেদোয়ান শিবলী,সমাজ কল্যাণ সম্পাদক-দেলোয়ার খান,প্রকাশনা সম্পাদক সঞ্জয় কুমার,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাধক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ছোটন।কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ হলেন- মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খান, আব্দুল আজিজ খান, শফিউল্লাহ ভুইয়া, এ এ এম…..আজাদ। –আবু তাহির,প্যারিস।
    • deer ভোলার উপকূলীয় এলাকায় মিঠা পানির খোঁজে বনের হরিণ লোকালয়ে : বেপরোয়া শিকারিরা - গড়াই২৪ ডটকমঃ ভেলায় অনাবৃষ্টি ও প্রচন্ড খড়া তাপে খাল, বিল, ডোবা ও পুকুরগুলোতে পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বেড়ে গেছে নদীর পানিতে লবণাক্ততার পরিমান। ফলে উপকূল এলাকায় মিঠা পানির খোঁজে বনের মায়াবি হরিণগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। প্রত্যেক দিনই ভোলা জেলার উপকূলীয় বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরার অধিকাংশ এলাকায় মানুষের বাড়ির উঠানে ও পুকুর পাড়ে দল বেঁধে হরিণ ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া যায়। এছাড়াও মনপুরার মূল সড়কে হরিণের অবাধ বিচরন দেখতে পাওয়া যায়। এতে স্থানীয় অতি উৎসাহীরা হরিণ তাড়া করে,  অনেক সময় হরিণগুলো তাড়া খেয়ে নদীতে পড়ে অকাতরে প্রাণ দিতে হয়। এদিকে বসে নেই দুষ্ট হরিণ শিকারিরা। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হরিণ শিকারে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কয়েকটি চক্র। কিন্তু বনবিভাগ এ ব্যাপারে উদাসীন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বনবিভাগের আওতাধীন বনগুলোতে মায়াবি হরিণের অবাধ বিচরণ রয়েছে। বর্তমানে এই উপজেলার সকল বনে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি হরিণ রয়েছে। এদিকে রাতের আধাঁরে বনদস্যুরা গাছ কেঁটে নিয়ে যাওয়ায় হরিণের আবাসনের সংকট দেখা দিচ্ছে। এছাড়াও খাদ্য ও মিঠা পানির খোঁজে বনের মায়াবি হরিণ প্রায় মনপুরা মূল ভূ-খন্ডে লোকালয় ঢুকে পড়ে। এ সময় অনেক হরিণ স্থানীয় প্রভাবশালীরা ধরে জবাই করে উপটোকন হিসাবে মাংস প্রেরণ করেন উঁচু পর্যায়ে। অনেক সময়ে বনবিভাগ খবর পেলে তা উদ্ধার করে আবার পূণরায় বনে ছেড়ে [...]
    জাতীয় আন্তর্জাতিক রাজনীতি
    অর্থনীতি খেলাধুলা গড়াই স্পেশাল
    বিনোদন
    ঢাকা বিভাগ চট্রগ্রাম বিভাগ খুলনা বিভাগ
    সিলেট বিভাগ বরিশাল বিভাগ উত্তরবঙ্গ
    বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন
    রুপসজ্জা
    টুরিজম স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি