সংবাদ ব্রিফিং

রুপসজ্জা

    • ভাঙা আইশ্যাডো দিয়ে লিপস্টিক - নারীদের অন্যতম মেকআপ অনুষঙ্গ হলো লিপস্টিক। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে লিপস্টিক ব্যবহার করতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু সবসময় কি আর পোশাকের সাথে মানিয়ে লিপস্টিক পাওয়া যায়। যায় না, তাই তো? নারীদের আরেকটি পছন্দের মেকআপ হলো আইশ্যাডো। অনেক সময় আইশ্যাডো ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। তখন আর সেটি ব্যবহার করা যায় না। এই ভাঙা আইশ্যাডো ফেলে না দিয়ে বরং এটার সাহায্যে তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দের লিপস্টিক। অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। ভাঙা আইশ্যাডো আর লিপ বাম দিয়ে পছন্দের লিপস্টিক তৈরির মজার পদ্ধতিটি শিখে নিই চলুন। যেভাবে তৈরি করবেন: ১। প্রথমে ভাঙা আইশ্যাডো মিহি গুঁড়ো করে একটি পাত্র বা চামচে নিয়ে নিন। ২। এর সাথে লিপবাম অথবা ভ্যাসেলিন মিশিয়ে ফেলুন। ৩। এবার আইশ্যাডো গুঁড়ো এবং ভ্যাসেলিন খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। ৪। ব্যস তৈরি হয়ে গেল পছন্দের লিপস্টিক। ৫। এখন লিপ বা কনসিলার ব্রাশ দিয়ে এটি ঠোঁটে ব্যবহার করুন। ৬। যে কোনো আইশ্যাডো দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দের শেডের লিপস্টিক।
    • a14-620x264 টাক সেই যেন তেন সংকট নয়, একেবারে ক্যান্সার - বংশগত কিংবা অন্য যে কারণেই টাক পড়ুক না কেন, সেটা যেকোনো পুরুষের মনোবেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই মনোবেদনার সঙ্গে এবার শারীরিক সংকটের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা। যেনতেন সংকট নয়, একেবারে ক্যান্সার। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা মাইকেল বি কুক জানান, ৪৫ বছরের বেশি বয়সী যেসব পুরুষের মাথার সামনের দিকে মাঝ বরাবর চুল থেকে গিয়ে দুই পাশ থেকে টাক পড়তে শুরু করে এবং যেসব পুরুষের মাথার তালুতে টাক পড়তে শুরু করে তাদের মধ্যে প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। তাদের ক্যান্সার কোষগুলোর বৃদ্ধিও হয় দ্রুত। ৩৯ হাজার ৭০ জন পুরুষের ওপর পর্যবেক্ষণে তাঁরা ওই দুই বিশেষ ধরনের টাক পড়া পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা লক্ষ করেছেন। ৪০ শতাংশ পুরুষের ক্ষেত্রে ওই ক্যান্সারের বৃদ্ধিও দ্রুত। টাক পড়ার অন্য ধরনগুলোর ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রবণতা খুঁজে পাননি বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানান, পুরুষের শরীরে অ্যান্ড্রোজেন হরমোন বেশি নিঃসরণের কারণে নির্দিষ্ট ধরনের টাক পড়ে। এই হরমোন আবার ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত করে। এর আগেও বিভিন্ন গবেষণায় অ্যান্ড্রোজেনের এমন প্রভাবের কথা জানান বিজ্ঞানীরা। নতুন-পুরনো গবেষণাগুলোতে প্রোস্টেট ক্যান্সার ও টাক পড়া নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার পরও এখনই সেটার ওপর নির্ভর করতে চাচ্ছেন না গবেষকরা। তাঁদের মতে, চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রয়োগের মতো তথ্য হাতে পেতে হলে আরো ব্যাপক পরিসরে গবেষণা করা দরকার।
    • угревая-сыпь-у-подростка-620x264 ব্যথাযুক্ত ব্রণ ও ফোঁড়া নিরাময়ে ৫টি ভেষজ - ময়লা, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে ত্বকে ব্রণ এবং ফোঁড়া হয়। ফোঁড়ায় তো বটেই কখনো কখনো ব্রণেও ব্যথা হয়। এতে আক্রান্ত স্থানসহ আশেপাশের জায়গা ফুলে যেতে পারে। ভেষজ চিকিত্‍সা দ্বারা এ সমস্যার নিরাময় করা সম্ভব। জেনে নিন ব্যথাযুক্ত ব্রণ ও ফোঁড়া নিরাময়ের ৫টি ভেষজ চিকিৎসা। ১. পুঁই পাতা: দুটো পুঁই পাতা ভালো করে ধুয়ে বেটে নিন। দিনে দু বার ব্রণ বা ফোঁড়ার ওপর পুরু করে প্রলেপ দিয়ে রাখুন। ৩. গাঁদা ফুল এবং পাতা: দুটি ফুল এবং পাঁচটি পাতা ভালো করে ধুয়ে থেঁতলে নিন। দিনে দু বার ফোঁড়া বা ব্রণের ওপর পুলটিশ হিসেবে লাগান। ৪. কাঁঠালের কষ: কাঁঠালের গাছ থেকে দুধের মতো যে কষ বের হয় তা সংগ্রহ করে তার সাথে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি গরম করে হট কম্প্রেস হিসেবে ব্যবহার করুন। সেঁক দেবার জন্য পরিষ্কার ছোট সুতি কাপড়ের টুকরা ব্যবহার করুন। বিশ মিনিট করে সেঁক দিন। ৪. জবা ফুল এবং পাতা: পাঁচ কচি পাতা এবং দুটো ফুল ভালো করে ধুয়ে থেঁতলে নিন। এটা সরাসরি ব্রণ অথবা ফোঁড়ার ওপর বসিয়ে দিন। দিনে দুই বার এভাবে করুন। ৫. কাঠ কয়লা: কয়লা গুঁড়ো করে নিন। পানিতে ভিজিয়ে এক টুকরো পরিষ্কার কাপড়ে বা রুমালে জড়িয়ে নিন। সরাসরি পুলটিশ হিসেবে ব্যবহার করুন দিনে দু বার।
    • rice-vs-beard-620x264 ওজন কমানোর জন্য কি খাওয়া ভালো? - কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, ভাত না কি রুটি – এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ মাত্রই এ দ্বিধায় পড়ে যান। পুষ্টিবিদরা কিছু ক্ষেত্রে ভাতকে প্রাধান্য দেন, আবার কিছু ক্ষেত্রে রুটি। বিশেষ বিশেষ রোগের ক্ষেত্রে যেমন ডায়াবেটিস, কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার বেশ প্রভাব ফেলে। জেনে নিন ভাত এবং রুটি সম্পর্কে কিছু বিষয়, তাহলেই বুঝতে পারবেন ওজন কমাতে কোনটি বেশি সহায়ক। খাদ্যগুণ বিচার করতে গেলে একদিক থেকে ভাতের চেয়ে আটার রুটি বেশি ভালো। কারণ রুটি অনেক বেশি তাপশক্তি বা ক্যালরি উৎপাদন সক্ষম। যেমন, আধা ছটাক চাল থেকে পাওয়া যায় ১০২.১ ক্যালরি আর আধা ছটাক আটা থেকে পাওয়া যায় ৯৬.৪ ক্যালরি। কিন্তু যখনই রান্না হয়, তখন দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চাল থেকে যখন ভাত তৈরি হলো তখন চালের ক্যালরি ১০২.১ থেকে নেমে দাঁড়ায় ৫৬.৭। অথচ আটার ক্যালরি ৯৬.৪ রুটি হয়ে দাঁড়ায় ১০১.২। সাদা ধবধবে চালের প্রতি মানুষের দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু ওই বেশি-ছাঁটা চালে ভিটামিন কম থাকে। আবার যখন ভাতের মাড় বা ফ্যান ফেলে দিয়ে রান্না করা হয় তখন বাদ পড়ে যায় প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিনের বড় একটা অংশ। গমের তুষের ক্ষেত্রেও একই ভুল করা হয়। আটা চেলে নিয়ে রুটি বানানো হয়। অথচ গমের তুষে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি১ বা থায়ামিন থাকে। সবদিক বিচার করে পুষ্টিবিদরা বলেছেন, প্রতিদিনই দুই ধরনের খাদ্যশস্য যেমন ভাত-রুটি মিশিয়ে [...]
    • 883068__beaytiful-eyes_p-620x264 আপেল কমলার খোসায় মুখের কালো দাগ দূর - মুখকে সুন্দর রাখতে আমারা কত কিছু করি৷ তার সঠিক যত্ন নেওয়া, পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া থেকে শুরু করে রূপচর্চা করা সব কিছু করতে আমরা উদ্যত৷ আর যদি আপনার এই সুন্দর মুখে হঠাৎ করে কোনও কালো দাগ দেখা দেয় তাহলে তা দূর করতে মাথা খারাপ হয়ে যায়৷ এই কালো ছোপ ছোপ দাগ যা অনেক ক্ষেত্রেই অস্বস্তির কারণ হয়,  সৌন্দর্য হানির মুখ্য কারণ হয়। অবশ্য এর জন্য আছে কিছু সহজ উপায় যা মেনে চললে আপনি উপকার পাবেন ও রাহাইও পাবেন। জেনে নিন তার তিনটি সহজ পদ্ধতি। ১. দুই চামচ বেসন,  এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো,  এক চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং এক চামচ কমলার খোসা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটা পেষ্ট তৈরী করুন। এবার এটা মুখে,  ঘাড়ে ভাল করে লাগিয়ে রেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। ২. একটি ছোট আকারের আপেল কেটে তার একটা ফালি মুখে,  ঘাড়ে,  গলায় মাখুন৷  দশ মিনিট পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহেদুই থেকে তিন বার এইভাবে ব্যবহার করুন। ৩. আপেল ও কমলার খোসা এক সাথে বেটে এর সাথে কাঁচা দুধ,  ডিমের সাদা অংশ ও কমলা রস মেশান। এবার মিশ্রনটা ত্বকে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
    • hany মেদ-ভুঁড়ি আর বাড়তি ওজন কমাতে মধু ডায়েট - মধু নিয়ে মধুর কথা অনেক। তার চেয়েও বেশি প্রচলিত মধুর মধুরতর গুণের কথা। নিয়মিত মধু খেলে সৌন্দর্য বাড়ে এ কথা অনেকেই জানেন, মানেনও। কিন্তু মধু ডায়েটে বা ‘মধুর’ খাবারে বাড়তি মেদ আর ওজনও যে কমে! এ কথা জানেন ​কি? সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, মাত্র তিন সপ্তাহেই আপনি আপনার বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন এই মধু খেয়েই। কোনো জটিলতর চিকিৎসাপদ্ধতির সাহায্যে নয়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত স্রেফ বিশুদ্ধ মধু খেয়েই। গবেষণায় এই মধু খাওয়ার বিষয়টিকে হানি বা মধু ডায়েট হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কী এই হানি বা মধু ডায়েট? হানি ডায়েটের প্রবক্তা মাইক দেখেছেন, যেসব অ্যাথলেট ফ্রুকটোজসমৃদ্ধ খাবার—যেমন মধু খান, তাঁরা প্রচুর মেদ ঝরাতে সক্ষম হন। পাশাপাশি তাঁদের কর্মক্ষমতা বা কর্মস্পৃহাও বাড়ে অনেক। এর কারণ হিসেবে মাইক বলেছেন, মধু খেলে পাকস্থলী থেকে বাড়তি গ্লুকোজ তৈরি হয়। আর এর কারণে মস্তিষ্কের সুগার লেভেল বেড়ে যায়, যা মেদ কমানোর হরমোন নিঃসরণের জন্য রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করে। কাজে কাজেই মেদ কমার সুযোগ তৈরি হয়। অবশ্য, মধুর উপকারিতা পেতে বা মধুকে কাজ করতে দিতে চাইলে যা করতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে প্রতিদিনের সব ধরনের প্রয়োজনীয় চিনি গ্রহণের পরিবর্তে মধু গ্রহণ। যেমন চায়ে চিনির পরিবর্তে মধু। কিংবা কফিতে এমনকি খাবারেও। অন্তত যেসব খাবারে চিনি প্রয়োজন হয়। এর পাশাপাশি যা করতে হবে, সেটা হচ্ছে রাতে ঘুমানোর আগে [...]
    • face wash উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ঘরোয়া মাস্ক - দূষণ ও ক্লান্তির কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। তাই অনেকেই ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে শুরু করেন বাজারে সহজলভ্য রং ফর্সা করা প্রসাধনী। তবে এসব পণ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই ত্বকের যত্নে ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহার করা সব থেকে বেশি উপকারী। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে কার্যকর কিছু মাস্ক তৈরির উপায় সম্পর্কে জানানো হয়। মাস্কগুলো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। এই প্রতিবেদনে এমনই মাস্ক তৈরির পদ্ধতি দেওয়া হল। মধু ও লেবুর ফেইস মাস্ক এক টেবিল-চামচ মধুর সঙ্গে এক টেবিল-চামচ লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি পুরো মুখে ও গলায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। শুকিয়ে আসলে ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ময়দার ফেইস মাস্ক গম ছোলা, ডাল, ভুট্টা ইত্যাদি যে কোন শস্যের তৈরি ময়দা ২ টেবিল-চামচ, এক চিমটি হলুদগুঁড়া এবং পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এ মিশ্রণের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি তৈরি করার পর পরিষ্কার মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। মাস্কটি শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে স্ক্রাব করে ধুয়ে ফেলতে হবে। গুঁড়াদুধের ফেইস মাস্ক এক চামচ গুঁড়াদুধ, এক চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস একটি পরিষ্কার পাত্রে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে [...]
    • aser ঘুমানোর আগে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে দূরে - গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভুগে থাকেন। অস্বাস্থ্যকর ও ভেজাল খাবার, অনিয়মিত জীবনযাপন, দূষণ, ভাজাপোড়া খাবার, বদহজম ইত্যাদির কারণে পেটে বায়ু জমে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো সময় পেটে গ্যাস জমে পেট ব্যথা বা বুক ব্যথা করে। এমনকি হতে পারে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও। জেনে নিন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূরে রাখার ৩টি আয়ুর্বেদিক উপায়। প্রতিদিন রাতে এই নিয়ম পালন করলে আপনার পেট থাকবে ভালো। ১. আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা সামান্য একটু লবণ মাখিয়ে চিবিয়ে খান। এরপর এক কাপ উষ্ণ গরম পানি পান করুন। ২. এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। ৩. এক গ্লাস পানির মধ্যে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ দিয়ে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এই পানি ঠাণ্ডা করে হলুদসহ পান করুন।
    • h5 প্রাথমিক নিয়ম ডায়েটিং-এর - খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণের পেছনে সাধারণত দুটি উদ্দেশ্য করে। একটি, সুস্থ থাকা আর আরেকটি হলো ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখা। আপনার উদ্দেশ্যটি যাই হোক না কেন, সঠিক ভাবে খাওয়াদাওয়া করতে চাইলে আপনাকে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতেই হবে। সঠিক ডায়েটের প্রাথমিক নিয়ম মূলত চারটি। আসুন জেনে নিই কী সেগুলো – ১. বাদ দিন বেড টি সকালে উঠেই বেড টি বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা বাদ দিন। এর পেছনে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধির একটি কারণ। মানুষ যখন রাতে ঘুমায় তখন তার ব্লাড সুগারের মাত্রা কমে যায়। ফলে সকালে দুর্বল লাগে। তাই সকালে এমন খাবার খাওয়া উচিত যা ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে তোলে। সকালে উঠেই চা খেলে শরীর এক ধাক্কায় জেগে ওঠে। ফলে হার্ট রেট, ব্রিদিং রেট এবং তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে। যার ফলে তৈরি হয় স্ট্রেস। এছাড়া চা বা কফি পুষ্টির কোনো যোগান দেয় না। তাই প্রথমে নাশতা করুন তারপর চা বা কফি খান। ২. প্রতি দু ঘণ্টায় খান প্রতি দু ঘণ্টা পরপর কিছু না কিছু খান। সকালে উঠেই চা খেল খিদে মরে যায়। আরো এক কাপ চা খেলে দুপুরের খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। ফলে বিকেলে এত খাবার খাওয়া হয়ে যায় যে ডায়েটিং-এর বারোটা বেজে যায়। দু ঘণ্টা পরপর পরিমিত খাবার খেলে যেমন প্রচণ্ড খিদে পায় না, অন্যদিকে পেট সহজে হজমও করতে পারে। ৩. কাজ অনুযায়ী [...]
    • Skin_Care_and_Face_Beauty যে জিনিস ভুলেও আপনার মুখে ব্যবহার করবেন না - চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য আমরা কতো কিছুই করে থাকি। সঠিক ভাবে রূপচর্চা করলে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু যদি আপনি না জেনে কিছু কিছু জিনিস মুখের ত্বকে ব্যবহার করে থাকেন তখন কিন্তু আপনাকে পস্তাতেই হবে। তাই জেনে রাখুন যে জিনিসগুলোকে আপনার মুখ থেকে দূরে রাখবেন অবশ্যই। হেয়ার স্প্রে অনেকেই মনে করে থাকেন যে হেয়ার স্প্রে দিয়ে যেহেতু চুল ঠিক রাখা যায় তাহলে হয়তো মেক-আপ করার পর, মেক-আপ যেন বেশিক্ষণ থাকে ও না ঘেমে যায় তার জন্য একটু হেয়ার স্প্রে মুখে দিয়ে দেই। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ হেয়ার স্প্রেতে আছে ‘লেকিউরস ও এলকোহল’ উপাদান যা ত্বকের জন্য খুব খারাপ। ডিওড্রেন্ট ডিওড্রন্ট এর কাজ হল আমাদের বগোলের ঘাম থেকে ও ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা করা। তার মানে এই না যে ডিওড্রেন্ট আপনার মুখের ঘামও দূর করবে। তাই এই ভুল কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। হেয়ার কালার অনেকেই আছেন কিছুদিন পর পর চুলের রঙ পাল্টে থাকে। তাই মনে করেন যে চুলের রঙের সাথে যদি আইব্রো এর রঙ মিলে যায় তাহলে হয়তো ভাল দেখাবে। কিন্তু চুল কালার করার উপাদানে যে কেমিক্যাল গুলো থাকে তা আমাদের মুখের ত্বকের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই চুলের পাশাপাশি আইব্রো কালার করবেন না। বডি লোশন আমরা অনেকেই বডি লোশন আমাদের মুখের ত্বকেও ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বডি লোশন [...]
    জাতীয় আন্তর্জাতিক রাজনীতি
    অর্থনীতি খেলাধুলা গড়াই স্পেশাল
    বিনোদন
    ঢাকা বিভাগ চট্রগ্রাম বিভাগ খুলনা বিভাগ
    সিলেট বিভাগ বরিশাল বিভাগ উত্তরবঙ্গ
    বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন
    রুপসজ্জা
    টুরিজম স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি